বিষয়বস্তুতে চলুন

ব্যবহারকারী:জিএম সালাউদ্দীন

উইকিঅভিধান, মুক্ত অভিধান থেকে

জিএম সালাউদ্দীন কবি, সাহিত্যিক পিতাঃ মোঃ ফজলুল হক মাতাঃ ফরিদা বেগম স্ত্রীঃ শামসুন নাহার ছেলেঃ এসএ মুহাইমিন মেয়েঃ সাফানা মুবাশশিরা ঠিকানাঃ ৩৩০, সড়ক নং ২, শিরইল কলোনী, রাজশাহী-৬১০০। এ পর্যন্ত চারটি যৌথ কাব্যগ্রস্থ প্রকাশিত হয়েছে। সদস্যঃ ১. জাতীয় কবিতা পরিষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

     ২. সূর্য সাহিত্য পরিষদ
     ৩. পেন্সিল
     ৪. আমাদের গল্পঘর
     ৫. স্বপ্নের অনুভূতি জাতীয় কবি সাহিত্য পরিষদ

পুরুষ্কারঃ ১. বাঙালীর শব্দ বুনন কবিতা পুরুষ্কার ২. স্বপ্নের অনুভূতি জাতীয় কবি সাহিত্য পরিষদ ২ বার ৩. বাংলাদেশের সেরা কবি ৪. সেরা কর্মী- লাইট হাউজ, বগুড়া। লেখাপড়াঃ এমএসএস- সমাজবিজ্ঞান। তিনি গল্প, গান এবং গজল ও নাত-ই-রাসুল রচয়িতা। তার লেখা অন্যন্য কবিতা “সূর্য সন্তান খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা” ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন কর্তৃক প্রকাশিত খান বাহাদুর আহ্ছানুল্লা ১৫০তম জন্মবার্ষিকির স্বারক গ্রন্থে স্থান করে নিয়েছে। লাইট হাউস স্কুল অব লার্নি এ্যান্ড ডাইভারসিটি, বগুড়ার এর প্রথম থীম সং তিনি রচনা করেন এবং সুরারোপ করেন। তার লেখা রম্য গল্প স্টাইল৯৬৯৮ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। তার লেখা বিভিন্ন কাসিদা বিভিন্ন মীলাদ-কীয়ামে গাওয়া হয়। তিনি ইসলামের গবেষণা প্রতিষ্ঠান “ইসলাম শিক্ষা ও চর্চা কেন্দ্র, রাজশাহী” প্রতিষ্ঠাতা ও মহাপরিচালক। তার প্রচেষ্টায় বিগত কয়েক বছর থেকে বাংলাদেশে তথা বিশ্বে প্রথম শিশু-কিশোরদের জাসনে জুলুস অর্থাৎ ঈদে মীলাদুন্নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর তার সার্বিক সহযোগিতায় ১০ই মহররম শিরইল কলোনীতে মীলাদ মাহফীল হয়। তিনি একজন সমাজ সংস্কারকও। তার প্রচেষ্টায় আশুরার পালনের বিভিন্ন বিদায়াতে ছাইয়া দূর করা সম্ভব হয়েছে। তিনি এলাকার যুব সমাজ নিয়ে এখনও এ প্রচেষ্টা অব্যহত রেখেছেন।