কংসারি
অবয়ব
বাংলা
[সম্পাদনা]উচ্চারণ
[সম্পাদনা]বিশেষ্য
[সম্পাদনা]কংসারি
ব্যুৎপত্তি
[সম্পাদনা]এটি একটি তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ। শব্দটি কংস এবং অরি—এই দুটি পদের মধ্যে স্বরসন্ধির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে: কংস + অরি = কংসারি (`অ` + `অ` = `আ`)।
- কংস – মথুরার অত্যাচারী রাজা, কৃষ্ণের মামা।
- অরি – শত্রু, বিনাশকারী।
ব্যাকরণগতভাবে এটি একটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস (ব্যাসবাক্য: `কংসের অরি যিনি`) এবং এটি একটি বহুব্রীহি সমাস (`কংস অরি যাহার`) হিসেবেও পরিচিত, যা শ্রীকৃষ্ণকে নির্দেশ করে।[১]
ব্যাকরণগত শ্রেণীবিন্যাস
[সম্পাদনা]- পদ: বিশেষ্য।
- শ্রেণি: সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য (Proper Noun)।
- লিঙ্গ: পুংলিঙ্গ।
- গঠন: সন্ধিসাধিত ও সমাসবদ্ধ পদ।
পৌরাণিক তাৎপর্য
[সম্পাদনা]হিন্দু পুরাণ অনুসারে, মথুরার অত্যাচারী রাজা কংসকে বধ করার জন্যই দৈববাণী অনুসারে দেবকীর অষ্টম গর্ভে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়। কৃষ্ণ কংসকে বধ করে মথুরাবাসীকে তাঁর অত্যাচার থেকে মুক্ত করেছিলেন। তাই কৃষ্ণের অন্যতম নাম হলো কংসারি বা কংসের শত্রু।
প্রতিশব্দ
[সম্পাদনা]সম্পর্কিত শব্দ
[সম্পাদনা]অনুবাদ
[সম্পাদনা]কংসের শত্রু
|
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ বাংলা একাডেমি (২০১৫) বাংলা একাডেমী ব্যবহারিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি, page ২৭৬