মনোযোগিতা
অবয়ব
বাংলা
[সম্পাদনা]উচ্চারণ
[সম্পাদনা]বিশেষ্য
[সম্পাদনা]মনোযোগিতা
ব্যুৎপত্তি
[সম্পাদনা]শব্দটি মনোযোগী (বিশেষণ) শব্দের সঙ্গে -তা (প্রত্যয়) যোগে গঠিত হয়েছে।
- মনোযোগী (`মনোযোগ` থেকে উদ্ভূত) – যিনি মনোযোগ দেন।
- -তা – ভাব বা অবস্থা নির্দেশক ভাববাচক তদ্ধিত প্রত্যয়।
যেহেতু 'মনোযোগ' নিজেই একটি ভাববাচক বিশেষ্য, তাই বিশেষণ (`মনোযোগী`) থেকে পুনরায় বিশেষ্য (`মনোযোগিতা`) গঠন করাকে বাহুল্য বলে মনে করা হয়।
ব্যাকরণগত শ্রেণীবিন্যাস
[সম্পাদনা]- পদ: বিশেষ্য।
- শ্রেণি: ভাববাচক বিশেষ্য (Abstract Noun)।
- লিঙ্গ: ক্লীবলিঙ্গ।
- আদর্শ রূপ: মনোযোগ।
- গঠন: অপ্রচলিত ও বাহুল্য গঠন।
বাক্যে প্রয়োগ
[সম্পাদনা]- অপ্রচলিত প্রয়োগ: ছাত্রদের মনোযোগিতা বাড়াতে হবে।
- শুদ্ধ প্রয়োগ: ছাত্রদের মনোযোগ বাড়াতে হবে।
টীকা
[সম্পাদনা]বিশেষ দ্রষ্টব্য: "মনোযোগিতা" শব্দটি গঠনগতভাবে বোঝা গেলেও, এটি বাংলা ভাষায় একটি অপ্রচলিত এবং আদর্শ নয় এমন শব্দ। ‘মনোযোগী হওয়ার অবস্থা’ বোঝাতে মূল বিশেষ্য পদ `মনোযোগ` শব্দটিই যথেষ্ট এবং এটিই মান্য ও সর্বজনীনভাবে ব্যবহৃত হয়।[১] তাই `মনোযোগিতা`-র ব্যবহার বাহুল্য এবং পরিহারযোগ্য।
প্রতিশব্দ (প্রচলিত ও শুদ্ধ বিকল্প)
[সম্পাদনা]- মনোযোগ (আদর্শ রূপ)
- একাগ্রতা
- মনঃসংযোগ
- অবধান
- চিত্তসংযোগ
বিপরীতার্থক শব্দ
[সম্পাদনা]সম্পর্কিত শব্দ
[সম্পাদনা]অর্থ
[সম্পাদনা]মনোযোগী হওয়ার গুণ (ধারণা)
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ দ্রষ্টব্য: বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান-এ ‘মনোযোগ’ (পৃষ্ঠা ৯৮১) ভুক্তি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু ‘মনোযোগিতা’-র ব্যবহার সমর্থিত নয়।