বিষয়বস্তুতে চলুন

ছিয়ানব্বইখানাও

উইকিঅভিধান, মুক্ত অভিধান থেকে

বাংলা

[সম্পাদনা]

উচ্চারণ

[সম্পাদনা]
  • আধ্বব(চাবি): / [সংখ্যার ধ্বনি] kʰa na o / অথবা / [সংখ্যার ধ্বনি] kʰa ni te /

ব্যুৎপত্তি

[সম্পাদনা]

[বাংলা সংখ্যা] + খানা (গণনাসূচক পদ পরিশিষ্ট, সাধারণত নির্দিষ্ট বস্তু গণনার জন্য ব্যবহৃত) + 'ও'/'তে' (জোর ও নির্দিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত ব্যঞ্জনান্ত অনুসর্গ)। এই গঠন বাংলা ভাষায় কথ্যরীতিতে সংখ্যার উপর গুরুত্বারোপ বা নির্দিষ্টতা প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।

বিশেষণ

[সম্পাদনা]

ছিয়ানব্বইখানাও

  1. এই শব্দটি বাংলা ভাষায় কথ্য রীতি বা বক্তৃতায় জোর, নির্দিষ্টতা বা আবেগসূচক ভঙ্গিতে কোন একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক বস্তু, ব্যক্তি বা একক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। "খানা" শব্দটি সাধারণত গণনার জন্য ব্যবহৃত গণনাসূচক পরিশিষ্ট হিসেবে কাজ করে, এবং এর সঙ্গে "ও" অথবা "তে" যোগ হলে তা আরও নির্দিষ্টতা, গুরুত্ব আর বক্তার মানসিক চাপ বা স্পষ্টতার অভিব্যক্তি প্রকাশ করে। এই শব্দগুলো সাধারণত দৈনন্দিন কথোপকথনে ব্যবহার হয়, যেমন: এই একান্নখানাও কলম সব খেয়েছে ময়দা, নব্বইখানিতে খেলনা ছিল, একটাও নেই। তাই, শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝালেও তার ব্যবহারে আছে ভাষিক তীব্রতা, মনোযোগ আকর্ষণ, বিস্ময় বা বিরক্তি প্রকাশের রীতি। এসব শব্দ মূলত বিশেষণ বা সংখ্যাবাচক বিশেষণ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।
    ছিয়ানব্বইখানাও ফল নিয়ে এসেছে, একটাও বাদ দেয়নি ও এই সাতানব্বইখানিতে একটা ভুলও নেই। উদাহরণে আপনি শুধু সংখ্যাটি পরিবর্তন করলেই সেই নতুন শব্দে এটি বসানো যাবে। এসব বাক্য সাধারণত কথ্য বাংলা ভাষায় বেশি ব্যবহৃত হয়, তবে উপযুক্ত প্রেক্ষাপটে লিখিত ভাষায়ও প্রাসঙ্গিক হতে পারে। অর্থে জোর, বিস্ময়, নির্দিষ্টতা ও পরিপূর্ণতার ইঙ্গিত রয়েছে।