গুঞ্জরবীণ
অবয়ব
বাংলা
[সম্পাদনা]উচ্চারণ
[সম্পাদনা]ব্যুৎপত্তি
[সম্পাদনা]“গুঞ্জর” এবং “বীণ” এই দুই শব্দের সংমিশ্রণে “গুঞ্জরবীণ” শব্দটি গঠিত।
বিশেষ্য
[সম্পাদনা]গুঞ্জরবীণ
- বীণার সুরের অনুরণন বা প্রতিধ্বনি।
- (রূপক) সুরেলা, মধুর এবং অনবদ্য সঙ্গীতের প্রকাশ।
- (সাহিত্যিক) মধুর শব্দ বা কন্ঠস্বর যা হৃদয় স্পর্শ করে।
- গুঞ্জরবীণের সুরে মন প্রফুল্লিত হলো।
- কবিতায় গুঞ্জরবীণ শব্দটি সুরের মাধুর্যের প্রতীক।
সমার্থক
[সম্পাদনা]- বীণার অনুরণন
- সুরেলা সঙ্গীত
- মধুর প্রতিধ্বনি
বিপরীত শব্দ
[সম্পাদনা]- ঝাঁজালো শব্দ
- খসখসানি
- অমelodious শব্দ
উদ্ভূত
[সম্পাদনা]- “গুঞ্জর” (বাংলা)
- “বীণ” (সংস্কৃত)