বিষয়বস্তুতে চলুন

গুঞ্জরবীণ

উইকিঅভিধান, মুক্ত অভিধান থেকে

বাংলা

[সম্পাদনা]

উচ্চারণ

[সম্পাদনা]

ব্যুৎপত্তি

[সম্পাদনা]

“গুঞ্জর” এবং “বীণ” এই দুই শব্দের সংমিশ্রণে “গুঞ্জরবীণ” শব্দটি গঠিত।

বিশেষ্য

[সম্পাদনা]

গুঞ্জরবীণ

  1. বীণার সুরের অনুরণন বা প্রতিধ্বনি।
  2. (রূপক) সুরেলা, মধুর এবং অনবদ্য সঙ্গীতের প্রকাশ।
  3. (সাহিত্যিক) মধুর শব্দ বা কন্ঠস্বর যা হৃদয় স্পর্শ করে।
    গুঞ্জরবীণের সুরে মন প্রফুল্লিত হলো।
    কবিতায় গুঞ্জরবীণ শব্দটি সুরের মাধুর্যের প্রতীক।

সমার্থক

[সম্পাদনা]
  • বীণার অনুরণন
  • সুরেলা সঙ্গীত
  • মধুর প্রতিধ্বনি

বিপরীত শব্দ

[সম্পাদনা]
  • ঝাঁজালো শব্দ
  • খসখসানি
  • অমelodious শব্দ

উদ্ভূত

[সম্পাদনা]
  • “গুঞ্জর” (বাংলা)
  • “বীণ” (সংস্কৃত)