কামপরায়ণ
অবয়ব
বাংলা
[সম্পাদনা]উচ্চারণ
[সম্পাদনা]- আধ্বব(চাবি): /kam.pɔ.ra.eon/
- ছন্দ: ক-অ-ম-অ-প-অ-রা-য-অ-ন (স্বরবিন্যাস: সংক্ষিপ্ত ক, সংক্ষিপ্ত অ, সংক্ষিপ্ত ম, সংক্ষিপ্ত অ, সংক্ষিপ্ত প, সংক্ষিপ্ত অ, দীর্ঘ রা, সংক্ষিপ্ত য, সংক্ষিপ্ত অ, সংক্ষিপ্ত ন)। শব্দটির উচ্চারণে দশটি স্বরধ্বনি রয়েছে, যা বাংলা শব্দের দশস্বরিক ছন্দ প্রকাশ করে, যেখানে "রা" দীর্ঘ স্বর হিসেবে উল্লেখযোগ্য।
- বানান: ক-অ-ম-অ-প-অ-রা-য-অ-ন। শব্দটি বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী লেখা হয়, যেখানে "কাম" মূল শব্দ এবং "পরায়ণ" আনুগত্য নির্দেশক প্রত্যয়। বাংলা একাডেমির বানান নিয়ম অনুসারে এই শব্দের কোনো বিকল্প বানান নেই।[১]
বিশেষণ
[সম্পাদনা]কামপরায়ণ (তুলনাবাচক আরও কামপরায়ণ, অতিশয়ার্থবাচক সবচেয়ে কামপরায়ণ)
ব্যুৎপত্তি
[সম্পাদনা]এটি একটি তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ। শব্দটি কাম এবং পরায়ণ এই দুটি পদের সংযোগে গঠিত একটি সমাসবদ্ধ পদ।
- কাম – যৌন ইচ্ছা, ভোগবাসনা, লালসা।
- পরায়ণ – একনিষ্ঠ, আসক্ত, অনুরাগী।
ব্যাকরণগতভাবে এটি একটি সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস (ব্যাসবাক্য: `কামে পরায়ণ`)। [২]
ব্যাকরণগত শ্রেণীবিন্যাস
[সম্পাদনা]- পদ: বিশেষণ।
- লিঙ্গ: পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ উভয় ক্ষেত্রেই অপরিবর্তিত থাকে।
- (উদাহরণ: কামপরায়ণ পুরুষ, কামপরায়ণ নারী)।
- বিশেষ্য রূপ: কামপরায়ণতা।
- গঠন: সমাসবদ্ধ পদ।
বাক্যে প্রয়োগ
[সম্পাদনা]- তাঁর কামপরায়ণ দৃষ্টি মহিলাদের অস্বস্তির কারণ হয়েছিল।
- কামপরায়ণ ব্যক্তিরা প্রায়শই নৈতিকতা থেকে বিচ্যুত হয়।
টীকা
[সম্পাদনা]`কামপরায়ণ` শব্দটি তীব্রভাবে নেতিবাচক এবং এটি ব্যক্তির চারিত্রিক স্খলন নির্দেশ করে। এটি 'প্রেম' বা 'অনুরাগ'-এর মতো ইতিবাচক আবেগ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন; 'কাম' এখানে মূলত শারীরিক বা ইন্দ্রিয়গত লালসাকে বোঝায়।
প্রতিশব্দ
[সম্পাদনা]বিপরীতার্থক শব্দ
[সম্পাদনা]সম্পর্কিত শব্দ
[সম্পাদনা]অর্থ
[সম্পাদনা]ভোগবাসনায় আসক্ত