বিষয়বস্তুতে চলুন

কাঁইজি

উইকিঅভিধান, মুক্ত অভিধান থেকে

বাংলা

[সম্পাদনা]

কাঁইজি (বাপৌরূ)বিণ ১. পরমেশ্বর, পরমপতি, বিশ্বেশ্বর, বিশ্বনাথ, বিশ্বপতি, lordship, কুতুব (ﻘﻄﺐ); ২. ব্রাহ্মণ, বৈরিঞ্চি, কাঁইচারী, কাঁইবিহারী, কাঁইধারী, ব্র‏হ্মচারী, কাঁই-দর্শনকারী, কাঁই প্রেমিক, কাঁই-দর্শন প্রত্যাশী, কাঁইতত্ত্ব বিশারদ, lordlike, mastership, উস্তাদিয়াহ (أستاذية), মুস্তারাশিব (مسترشيب), সিয়াদাহ (سيادة), লিওয়ার্দিয়া নাবলা (لوردية نبل), sovereign, ascendant, dominant, supreme, independent, autonomous. (ব্যাপ) ১. প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কাঁই-দর্শনকারী সাধক-সাধিকার উপাধি বিশেষ। ২. মরমীবাদের আউল, বাউল, নাড়া, সাঁইজি ও কাঁইজি এ পাঁচটি সাধন স্তরের সর্বশেষ স্তর বিশেষ। ৩. জ্ঞানের নৈরাকার স্তর এবং রসাশ্রয় ও রূপাশ্রয় হতে ‘কাঁইজি’ সম্প্রদায়ের উৎপত্তি। (বাপ) ব্রাহ্মণ (ইংপ) lordship (ইদে) ওয়ালি আল্লাহ (ولى الله), খালিফাতু আল্লাহ (خليفة الله), নায়িবে ইলাহি (ﻨﺎﺌﺏ ﺍﻟﻬﻰ) {সং. কাঁই + স. জি}
দেখে খালের তর্জনগর্জন, কত সাধু হয় অচেতন, ভাবিয়া কয় কাঁইজি বলন, দৌড় মারে সকল ফেলে। [১]
“খুঁজি তারে দেশ বিদেশে, আগুন জল মাটি বাতাসে, বলন কাঁইজি হারায় দিশে, খুঁজে তারে জগৎময়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৬৮)। “বান্ধব কত আশা আমায় দিলি, শূন্যের ওপর ঘর বান্ধিলি (রে), বলন কাঁইজির যৌবন নিলি, কুষ্ঠে দেহ জ্বর জ্বর।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৮৭)। [১]
বলন কাঁইজি ভেবে বলে, সঙ্গে যায় না কিছু ম’লে, পড়ে মায়া লোভের ছলে, অধঃপতন করলি তরী।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২১৭)। [১] “স্বর্গের কথা সবাই বলে, অধিকাংশই অনুমানে চলে, কোন জাত কী বুঝায় মূলে, কাঁইজি বলন শুধালে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২৬৬)। [১]
শতবর্ণের ফল সেথা, স্বাধীনারা রয় অপরূপা, শুনি গিলমানের কথা, বলন কাঁইজি ভেবে কয়।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৩৮)। [১]
সেই পঞ্চরস অমৃতসুধার বাণিজ্য মেলায়, দুগ্ধ রতী সুধা মধু কত যে ভেঁসে বেড়ায়, বলন কাঁইজি ভেবে বলে, ত্রিবেণীর দরজা খুলে, পঞ্চরস নিও গো তুলে জনম ভরি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৪১)। [১]
“পাইতে সে অমূল্যরতন, ভজ গিয়া গুরুর চরণ, ভাবিয়া কয় কাঁইজি বলন, পাবিরে ধনের খনি।” (বলন তত্ত্বাবলী- ৭৩)। [১]
“বলন কাঁইজি ভেবে বলে- প্লবতা নাই ঐ নদীর জলে, গুরু রূপের দিব্যি দিলে- হয়ে যায় সে নদী পার, অথৈজলের ডুবুরী হলে- অমূল্য-ধন মাণিক মিলে, গুরুর করুণা হলে- অনায়াসে হয় নদী পার।” (বলন তত্ত্বাবলী- ২১৬)। [১]
বলন কাঁইজি ভেবে বলে, সাধনবলে গুদাম মিলে, পাকা গুরুর কৃপাতে- তিনশত ষাট বরাত পেতে, গুরুধন লইও সাথে, সেই কঠিন পারাপারেতে।” (বলন তত্ত্বাবলী- ১৭০)। [১]
এই হলো শুক্রের উৎপত্তি নিষ্পত্তি বচন, একাকী নিরলে বসে ভনে কাঁইজি বলন। [২]
১. বলন তত্ত্বাবলী (১ম খণ্ড) (Orator theorie; 1st part); গীতিকার; বলন কাঁইজি; প্রথম প্রকাশ নভেম্বর ২০১৯; বেহুলাবাংলা; ৬১ কনকর্ড এম্পোরিয়াম শপিং কমপ্লেক্স, ২৫৩-৫৪ এলিফ্যান্ট রোড, কাঁটাবন, ঢাকা ১২০৫; এবং ৩৮ বাংলাবাজার, ৩য় তলা, ঢাকা ১১০০। ISBN; 978-984-505-177-4.
২. আত্মতত্ত্ব ভেদ [সৃষ্টিকর্তার পরিচয়] (৭ম খণ্ড); {Introspection Mysteries (Creator's identity) (Part 7)}; লেখক; বলন কাঁইজি; প্রকাশকাল; বইমেলা ২০১৫; সমাচার; ৩৭ পি. কে. রায় রোড; বাংলাবাজার, ঢাকা ১১০০। ISBN; 984-70182-0228-3.